প্রতিনিধি ২ জানুয়ারি ২০২৫ , ৫:১৯:৪২ প্রিন্ট সংস্করণ
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ডিপিএইচই) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীবের বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকার দুর্নীতি, একাধিক বিয়ে, এবং সরকারের অনুমতি ছাড়া বিদেশ ভ্রমণের মতো নানা অভিযোগ উঠেছে।
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় রুরাল পাইপ ওয়াটার সাপ্লাই স্কিমের কাজে এন কে করপোরেশন নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ না করেই আড়াই কোটি টাকার বিল দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নেত্রকোনা জেলায় দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তার তৃতীয় স্ত্রীর নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খুলে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও পাওয়া গেছে।
এসব অনিয়মের বিষয়ে নোয়াখালীর সাবেক এমপি এইচ এম ইব্রাহিম চলতি বছরের ১৩ মে লিখিত অভিযোগ করেন। এর ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
অন্যান্য অভিযোগ:
১. স্ত্রী ডা. সুমনা ইসলামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাসুকা করপোরেশনের মাধ্যমে কাজ দেওয়ার অভিযোগ।
২. সরকারের অনুমতি ছাড়াই বিদেশ ভ্রমণ এবং তথ্য গোপন করে একাধিক বিয়ে।
৩. ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগসাজশ করে কোটি কোটি টাকার কাজ ভাগাভাগি।
মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি এসব অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২২ সালের ৯ মে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তদুপরি, এখনো পর্যন্ত তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশ হয়নি।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের এই দুর্নীতির ঘটনা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়েছে। সরকারি প্রকল্পের অর্থ লুটপাট এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলার কারণে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।











