নিজস্ব প্রতিবেদক ২৮ অক্টোবর ২০২৬ , ২:৪১:২০ প্রিন্ট সংস্করণ
শেরেবাংলার ধুসর ফাইলের আড়ালে ময়মনসিংহের সবুজ চত্বর কিংবা সিলেটের লটারি ক্যাটাগরিতে সাবেক ছাত্রলীগ নেতার তিলকচিহ্নিত ললাটের প্রতাপে গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী অর্ণব বিশ্বাসের পদার্পণমাত্রই জাতীয় কোষাগার যেন এক নিখাদ তামাটে তুবড়িতে পরিণত হয়েছে।
যেখানে ফ্যাসিবাদের আশীর্বাদপুষ্ট দুর্ভেদ্য আবরণে নিটোর, নিউরোসায়েন্সেস, মানসিক স্বাস্থ্য, সোহরাওয়ার্দী কিংবা হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসালয়ের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ ও ভার্টিক্যাল এক্সটেনশনের মেগা প্রকল্পের আড়ালে নজিরবিহীন হরিলুটের দুর্নীতির ভান্ডার গিলে খাওয়া হয়েছে।
একাধিক ঠিকাদার সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাজপথের স্লোগান থেকে ময়মনসিংহের রাজপথ পেরিয়ে রাজধানীর অলিগলি অবধি কাল্পনিক কাজের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে বার্ষিক রাজস্ব খাতের মেরামত তহবিলকে শুষে নেওয়ার এই মহোৎসবে এপিপির গোলকধাঁধা আর ১৩৮ নম্বর স্বাস্থ্য মেরামত খাতের তামাদি সরকারি অর্থ বিনা বাক্যে ও রাখঢাকে দেদারসে হজম করা হয়েছে।
গণপূর্তের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দায়িত্বশীল সূত্রগুলো নিশ্চিত করে জানায়, ভবনের কাঠামোগত খোলনলচে বদলের অলীক ফিসফাসে প্রতিটি প্রকল্পের রন্ধ্রে রন্ধ্রে রক্তক্ষরণ ঘটিয়ে এই প্রকৌশলী সরকারি আমলাতন্ত্রের আঁধারে গড়ে তুলেছেন একচ্ছত্র সাম্রাজ্য, যার থেকে সংগৃহীত বিপুল পরিমাণের অবৈধ অর্থ ও সরকারি তহবিল চোরাপথে ভারতে পাচার করে সে দেশে নিকট আত্মীয়-স্বজন ও স্বনাম-বেনামে গড়ে তুলেছেন এক সাম্রাজ্যিক স্থাবর সম্পত্তির সুবিশাল পাহাড়ি সিন্ডিকেট, যেখানে আইনের ফাঁকফোকর গলিয়ে রাষ্ট্রের প্রতিটি ইট ও বালুকণাকে পর্যন্ত নিঃস্ব করে তিলকধারী অর্ণবনামা এক অবাধ লুণ্ঠন গাথায় পরিণত হয়েছে।
এখানেই শেষ নয় চলবে…..











