• ঢাকা, বাংলাদেশ    
  • বৃহস্পতিবার , ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ,১৯শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  • অপরাধ

    এলজিইডি প্রকৌশলীর পরকীয়ার ঘটনায় তোলপাড়

      প্রতিনিধি ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ , ১০:২১:০৯ প্রিন্ট সংস্করণ

    স্ত্রী ও সন্তান থাকার পরেও সহকর্মীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে গিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) একজন প্রকৌশলী। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর এলজিইডি সদর দপ্তরে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

    অভিযুক্ত প্রকৌশলী হাসানুজ্জামান এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ের মেকানিক্যাল শাখায় কর্মরত। অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে এলজিইডির এক নারী সহকর্মীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়, যা ধীরে ধীরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে রূপ নেয়। তাদের সম্পর্ক বন্ধুত্ব থেকে প্রেমে এবং পরবর্তীতে শারীরিক সম্পর্কে পৌঁছায়। তবে দীর্ঘদিনের এই সম্পর্কের মধ্যে ফাটল ধরলে বিষয়টি সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসে।

    ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগে জানা গেছে, বিভিন্ন সময়ে হাসানুজ্জামান তাকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করেছেন। তিনি আরও দাবি করেছেন, তার ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে হাসানুজ্জামান তার কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়েছেন। কিন্তু ছেলেকে বিদেশ পাঠাতে ব্যর্থ হওয়ার পর টাকা ফেরত চাইলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

    অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, হাসানুজ্জামান ভুক্তভোগীকে বিয়ের আশ্বাস দিলে তিনি তার স্বামীকে ডিভোর্স দেন। তবে বিয়ের প্রতিশ্রুতি পূরণ না করায় এবং টাকার হিসাব চাওয়ায় ভুক্তভোগী নারী বিষয়টি জনসম্মুখে প্রকাশ করেন।

    এলজিইডি দপ্তরের অভ্যন্তরে এ ঘটনায় ব্যাপক তোলপাড় চলছে। যদিও অভিযুক্ত প্রকৌশলী নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বিষয়টিকে ব্ল্যাকমেইলের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ভুক্তভোগী নারী ভালোবাসার নামে তার কাছ থেকে অর্থ আদায় করেছেন।

    ভুক্তভোগী নারী ২৬ জানুয়ারি স্থানীয় সরকার বিভাগের উপদেষ্টার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, হাসানুজ্জামানের বিরুদ্ধে তার কাছে একাধিক প্রমাণ রয়েছে। প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না আসায় তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    এই ঘটনার ফলে এলজিইডি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে এখনও পর্যন্ত অভিযুক্ত প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

    চলবে