নিজস্ব প্রতিনিধি ১১ ডিসেম্বর ২০২৪ , ১২:৪৭:৫০ প্রিন্ট সংস্করণ
কৃষকদের সঙ্গে নিয়মিত দুর্ব্যবহার করেন। কোনো সমস্যা নিয়ে তার কাছে গেলে তিনি অধিকাংশ সময় উপজেলায় চলে যেতে বলেন এবং অনেক সময় কৃষকদের প্রতি অসৌজন্যমূলক ভাষায় কথা বলেন। ফলে জেলার কৃষকেরা তার আচরণে ক্ষুব্ধ ও হতাশ।
কৃষকেরা উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমানকে দ্রুত অপসারণের দাবি জানায়। তাদের মতে, এমন একজন বিতর্কিত কর্মকর্তা জেলার কৃষি উন্নয়নের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসময় কৃষকরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, জেলার কৃষকদের দাবি, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এই অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হোক এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
সদ্য বদলি হওয়া চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আমিরুল হক বলেন, আমার উপপরিচালক মহোদয় আমাকে বদলী করার জন্য উঠে পড়ে লাগেন এক পর্যায় তিনি আমার কাছে এক লক্ষ টাকা দাবি করেন। আমি সামান্য বেতনে চাকরি করি। এক লক্ষ টাকা না দিতে পারায় আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বদলি করেছেন। আর কৃষকদের দাবির বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। আমি বাড়িতে আছি। আমি দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে কৃষকদের সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করে থাকি।
বিসিআইসি জেলা সার ডিলার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আকবার আলী বলেন, কিছু সারের সংকট আছে। তবে উপপরিচালকের সাথে আমাদের কোন ডিলার অনৈতিক ভাবে অর্থ লেনদেন করেন না।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, বদলীর বিষটি দাপ্তরিক বিষয়। আর সারের কোন ঘাটতি নাই। যদি কোন ডিলার বা ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করে থাকে তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।











