প্রতিনিধি ১৭ নভেম্বর ২০২৩ , ১১:০৬:৪৩ প্রিন্ট সংস্করণ
এম,ইব্রাহিম খলিল সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি :
চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায়
ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’র প্রভাবে উপকূল এলাকায় সর্তক সংকেত বাড়িয়ে দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আবহাওয়া অফিস জানায় পায়রা ও মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ০৭ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ০৬ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’ সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪১৫ কি.মি পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৯৫ কি.মি. পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৬৫ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৭০ কি.মি দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।
এটি আরও উত্তর-উত্তরপূর্বদিকে অগ্রসর হয়ে মধ্যে রাত নাগাদ দিয়ে মোংলা-পায়রা উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
, ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাব দুপুরের পরে দিকেই উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করার সময় মহাসড়ক এ গাছ ভেঙে পড়ে যান চলাচল বিঘ্নিত হয়।
উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে নিম্নচাপের প্রভাবে বৃহস্পতিবার থেকেই টানা বৃষ্টিপাত চলছে। উপজেলার নডালিয়ার বাসিন্দা জুয়েল জানান, “গতকাল সকাল থেকে এখনো টানা বৃষ্টি চলছে। এক মুহূর্তও থামেনি। শুক্রবার আরেকটু বেড়েছে।”
এছাড়া চট্টগ্রামে জোয়ারের পানিও বেড়েছে বলে জানান ।
চট্টগ্রামের জেটিতে ২২টি জাহাজ ছিল, তাদের গভীর সমুদ্রে যাবার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।”
ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’র প্রভাবে গতকালই ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবাণী দেয়া হয়। ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে বলা হয়, “গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে ১৬ই নভেম্বর বিকাল ৩টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ২২.৩ মিলি মিটার বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া
ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪-৮৮ মি.মি.) থেকে অতি ভারী (৮৯ মি.মি. বা তারও বেশি) বর্ষণ হতে পারে।
এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগের সীতাকুণ্ড পাহাড়ি এলাকায় কোথাও কোথাও ভূমিধ্বসের সম্ভাবনার কথাও জানায় আবহাওয়া অফিস সীতাকুণ্ড ।
এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লার উপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কি.মি বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর নৌ বিপদ সংকেত দেখিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সীতাকুণ্ডে টানা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি চলছে।
সাগর বেশ উত্তাল, সামুদ্রিক সব যান উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করছে। তবে সেখানকার জীবনযাত্রা গতি স্তব্ধ হয়ে গেছে ।











