প্রতিনিধি ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ , ৮:৩৪:০৭ প্রিন্ট সংস্করণ
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন থেকে গাজীপুর সিটি করপোরেশন পর্যন্ত একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে আলোচনায় রয়েছেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক। অভিযোগের পরও তার রহস্যময় প্রভাব ও অদৃশ্য শক্তির জোরে তিনি বহাল তবিয়তে রয়েছেন।
২০০৬ সালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে দৈনিক হাজিরা ভিত্তিক কর্মচারী হিসেবে চাকরি শুরু করেন সুদীপ। চাকরির শর্ত লঙ্ঘন করে ২০০৯ সালে তার পদ স্থায়ী করা হয়। এরপর তিনি একাধিক পদোন্নতি লাভ করেন, যা বিধি লঙ্ঘন করে করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ, অনিয়ম, এবং অবৈধ নিয়োগের অভিযোগ ওঠে। এরপর তাকে ২০২২ সালে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে বদলি করা হয়। তবে এখানেও তিনি দুর্নীতির অভিযোগে জড়িয়েছেন।
বর্তমানে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার জন্য তিনি লবিং চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। নিয়ম অনুযায়ী তার এই পদে যাওয়ার সুযোগ না থাকলেও, তার রহস্যময় প্রভাব এবং অদৃশ্য শক্তি দিয়ে তিনি এর আগে বহু পদ বাগিয়ে নিয়েছেন।
সুদীপ বসাকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি ভুয়া দরপত্রের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় সামগ্রী অতিরিক্ত দামে ক্রয় দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়া মাস্টাররোল কর্মচারীদের স্থায়ী নিয়োগের নামেও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, সুদীপ বসাকের মতো কর্মকর্তাদের কারণে সিটি করপোরেশনগুলোতে দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতি রোধ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তার কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ জনগণসহ সহকর্মীরাও ভুক্তভোগী। নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে তিনি এসব পদে স্থির থাকতে পারছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গাজীপুর সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিস্তারিত পরবর্তী সংখ্যায়










