নিজস্ব প্রতিনিধি ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ , ৪:৩৯:১৬ প্রিন্ট সংস্করণ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) থেকে ফলিত গনিত বিভাগ থেকে অনার্স- মাস্টার্স করেছেন। শিক্ষাজীবন শেষ করার আগেই লেখক হিসেবে খ্যাতি পান। পেয়ে যান একটি চাকরিও। তবুও আরো ভালো কিছু করার চেষ্টায় ছিলেন। এরপর পর্যায়ক্রমে কলেজের শিক্ষক ও সরকারি ব্যাংকের চাকরিসহ মোট পাঁচটি চাকরি পান। এরপর ষষ্ঠবারের মতো পুলিশের এসআইয়ের চাকরি নেন। গত ছয় বছর ধরে এই চাকরিতেই রয়েছেন
এখন পর্যন্ত স্ব-গৌরবে দায়িত্ব পালন করে নিজেও সন্তুষ্ট এবং বাংলাদেশ পুলিশের সম্মান বয়ে আনছেন। বলছিলাম ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মোস্তাফিজার রাহমানের কথা। জানা যায়, গত একবছর ধরে যাত্রবাড়ী থানায় কর্মরত তিনি। এ সময়ে ৫০ টির বেশি মামলা নিষ্পত্তি করেন এবং বর্তমানে আরো ১৩ টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে তার । এছাড়া মোস্তাফিজার এ সময়ে মধ্যে শতাধিক ভিকটিমকে রাজধানীসহ দেশের ফিরিয়ে দিয়েছেন। এর মধ্যে গত আগস্ট মাসেই ২৩ টি ভিকটিমকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেন। এসব ভিকটিমদের মধ্যে ৯৫ শতাংশই মেয়ে। যাদের বয়স বেশিরভাগ ১২ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। এসব ভিকটিমের একজন তরুণীর পিতা আমজাদ হোসেন বলেন, আমার মেয়ে নিখোঁজের পর এত দ্রুত ঢাকার বাহিরের দূরের একটা জেলা থেকে উদ্ধার করে দিয়েছেন যা কল্পনাও করতে পারিনি।

তিনি একজন ব্যতিক্রমধর্মী পুলিশ অফিসার। কারন, উনাকে আমাদের কোনো তাগিদাও দেওয়া লাগেনি । আল্লাহ উনার মঙ্গল করুক । আমজাদের মতো আরো একাধিক ভুক্তভোগী অভিভাবক এই পুলিশ কর্মকর্তার কাজে সন্তুষ্ট। কারন, প্রত্যেকেই আন্তরিকতার সাথে দ্রুত সময়ে সেবা দিয়েছেন মোস্ত ফিজার। পুলিশ কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রাহমান বলেন, এসব ভিকটিমের মধ্যে রয়েছে প্রেমঘটিত বিষয়, কেউ প্রতারণার শিকার, অনেকে টিকটকের জনপ্রিয় হতে ছেলে বন্ধুর সাথে ঘর ছাড়ে, আবার অনেকে পরিবারের সাথে।
ভিকটিম উদ্ধারে ডিএমপিতে দুইবার শ্রেষ্ট অফিসার: চলতি বছরে ডিএমপির ৫০ থানার মধ্যে মার্চ ও মে মাসে দুইবার ভিকটিম উদ্ধারের শ্রেষ্ঠ হন মোস্তাফিজার । এজন্য ডিএমপি কমিশনারের পক্ষ থেকে সম্মাননা পান। এর আগে বাংলাদেশ পুলিশে রাজশাহী র্যাব-৫ কর্মরত ছিলেন। সে সময়ে বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষনে তিনি শ্রেষ্টত্বের প্রমাণ দিয়েছেন। একই সঙ্গে একাডেমিক বিভিন্ন এলাকা থেকে উদ্ধার করেন।










