• ঢাকা, বাংলাদেশ    
  • মঙ্গলবার , ৭ জানুয়ারি ২০২৫ ,১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  • জাতীয়

    রাজউকে শুদ্ধাচার, অভিযোগ প্রতিকার ও তথ্য অধিকার নিয়ে কর্মশালা

      প্রতিনিধি ৭ জানুয়ারি ২০২৫ , ৭:০২:২১ প্রিন্ট সংস্করণ

    এম এইচ মুন্না: রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর আয়োজনে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল, অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা এবং তথ্য অধিকার আইন নিয়ে একদিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি ২০২৫) রাজধানীর রাজউক অডিটোরিয়ামে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

    কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজউকের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান সরকার (অব.)। সভাপতিত্ব করেন রাজউকের সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ আবদুল আহাদ, এনডিসি। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজউকের সদস্য (প্রশাসন) ড. মোঃ আলম মোস্তফা।

    প্রধান অতিথি রাজউক চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান সরকার (অব.) তার বক্তব্যে বলেন, “শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজউক জনগণের সেবায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। জনগণের আস্থা অর্জনের লক্ষ্যে কর্মকর্তাদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত এ ধরনের কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে।”

    তিনি আরও বলেন, “রাজউক একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান হিসেবে জনগণের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে কাজ করছে। আমাদের এ চেষ্টা অব্যাহত থাকলে রাজউকের সুনাম আরও প্রসারিত হবে।”

    কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ আবদুল আহাদ, এনডিসি, বলেন, “তথ্য অধিকার আইন জনগণের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছে। রাজউকের সেবায় এই আইন আরও কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।”

    মূল প্রবন্ধে ড. মোঃ আলম মোস্তফা শুদ্ধাচার কৌশল ও তথ্য অধিকার আইনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ও তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়ন করা হলে জনগণ আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ সেবা পাবে।”

    কর্মশালায় রাজউকের সহকারী পরিচালক থেকে শুরু করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী এ কর্মশালায় সেবাগ্রহীতাদের আরও দক্ষ ও কার্যকর সেবা প্রদানের কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়।

    প্রধান অতিথি রাজউক চেয়ারম্যান আরও বলেন, “শুদ্ধাচার কৌশল সঠিকভাবে পালন করলে অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা অনেকাংশে কমে আসবে।”

    কর্মশালার মাধ্যমে রাজউকের কর্মকর্তাদের মধ্যে শুদ্ধাচার, অভিযোগ প্রতিকার ও তথ্য অধিকার আইনের প্রয়োগে দক্ষতা বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা হচ্ছে।