প্রতিনিধি ২১ ডিসেম্বর ২০২৪ , ১২:৩২:২৩ প্রিন্ট সংস্করণ
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর নোয়াখালীর ক্যাশিয়ার মো. মমিনুল ইসলাম তাঁর সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার জন্য কর্মক্ষেত্রে প্রশংসিত একজন ব্যক্তি। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দপ্তরের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও কার্যক্রম অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করে আসছেন।
সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, মমিনুল ইসলাম তাঁর পেশাগত জীবনে স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজ করেছেন। কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ কখনোই তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়নি। বরং তিনি সবসময় নীতিমালা মেনে চলেছেন এবং সহকর্মীদের আস্থার জায়গায় রয়েছেন।
অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, “মমিনুল ইসলাম অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও সৎ ব্যক্তি। তিনি সবসময় অফিসের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং কাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেননি। এমন কর্মী আমাদের দপ্তরের জন্য সম্পদস্বরূপ।”
মমিনুল ইসলাম জানান, “আমি আমার কাজ সবসময় নিষ্ঠার সঙ্গে করেছি। অফিসের স্বার্থ এবং সরকারি নিয়মনীতি মেনে চলা আমার দায়িত্ব। আমি সততা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করতে পেরে গর্বিত।”
স্থানীয় ঠিকাদার এবং দপ্তরের অন্যান্য কর্মচারীরাও মমিনুল ইসলামের পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেছেন। একজন ঠিকাদার বলেন, “মমিনুল সাহেব আমাদের সঙ্গে সবসময় ভালো ব্যবহার করেন এবং কাজের ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতা করেন। তিনি অত্যন্ত স্বচ্ছ একজন মানুষ।”
তাঁর সহকর্মীরা বলেন, “অফিসের আর্থিক কার্যক্রমে তিনি অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি প্রতিটি কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে যত্নবান এবং অফিসের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”
মমিনুল ইসলাম তাঁর দায়িত্ব পালনে সর্বদা মনোযোগী। সরকারি প্রকল্পের আর্থিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সুনাম বাড়াতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
সুধীজন মনে করেন, এমন কর্মচারীদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়া উচিত, যারা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের সেবা করে যাচ্ছেন।





