নিজস্ব প্রতিনিধি ৮ আগস্ট ২০২৪ , ৩:৩৫:০৭ প্রিন্ট সংস্করণ
মোঃ মাসুদ রানা, স্টাফ রিপোর্টার।
নীলফামারী জেলার সদর উপজেলার আওতাধীন ২নং নতিব চাপড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ভবনের ছাদ ফেটে বৃষ্টির পানি পরে ও দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে। সামান্য বৃষ্টি হলে চুইয়ে পানি পড়ে শ্রেণিকক্ষে। পলেস্তারার টুকরোও ঝরে পড়ছে।
স্কুলের এই ভবনের তিনটি কক্ষ রয়েছে। এর মধ্যে তিনটিতে শ্রেণির কার্যক্রম চলে। ১টি রুম কক্ষ অফিস হিসেবে ব্যবহার হয়। পুরো ভবনটাই ঝুঁকিপূর্ণ। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন জেনেও এটা ব্যবহার হচ্ছে। এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নিয়ে আতঙ্কিত সবাই।
গ্রামের ভেতরে অবস্থিত এই বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করলেই দেখা যায় বিল্ডিংয়ের ছাদ থেকে আস্তর উঠে যাচ্ছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমাইয়া, বায়েজিদ, সানি, জান্নাতুল মাওয়া জানায়, বিদ্যালয়ের ভবনটি পুরোনো হয়ে পড়েছে। স্কুল খোলা থাকা অবস্থায় শ্রেণিকক্ষে ছাদ থেকে বৃষ্টির পানি শরীরের ওপর পড়ে । ক্লাসরুমের ভেতরেই ভিজতে হয় আমাদের ভিজে ক্লাস করতে হয়, ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করতে হয়, ভয় হয় সবার। এই স্কুলে নতুন একটা ভবন প্রয়োজন।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শিউলি বেগম জানান, বিদ্যালয় ভবনের অবস্থা তেমন ভালো না। সিমেন্ট উঠে যাচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ভবনটি। একটা ভবন খুবই দরকার। বিদ্যালয়ের বাথরুমের অবস্থাও বেহাল, যা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে।
এ বিষয়ে নীলফামারী উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান,ভবনের বিষয়টি এলজিডি পর্যবেক্ষণ করে প্রথমে তারা একটি লিস্ট দেয় কোন প্রতিষ্ঠানের ভবন অকেজো হয়েছে। তারপরে আমাদের কাছে একটি নোটিশ বা একটি লিস্ট আসে তারই পরিপ্রেক্ষিতে ভবনগুলো পরিত্যক্ত বলে ঘোষণা করা হয়। তারপরে নতুন ভবনের জন্য যারা আবেদন করেছে সে ক্ষেত্রে নতুন ভবন নির্মিত হয় ,এটি একটি লং প্রসেস তারপরও আমরা দেখব চেষ্টা করব এ ধরনের যে বিল্ডিং গুলো আছে বাজে ভবনগুলো আছে অতি দ্রুত যেন নতুন ভবন নির্মাণ হয়।










