নিজস্ব প্রতিনিধি ৮ এপ্রিল ২০২৬ , ১২:০১:২৬ প্রিন্ট সংস্করণ
দুর্নীতির দমবন্ধ ধোঁয়াশা, দাপ্তরিক দৌরাত্ম্যের দুর্বোধ্য দহন আর সুবিধাভোগীদের সুগভীর শেকড়ে যখন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভেতরকার পরিবেশ ভারাক্রান্ত, ঠিক তখনই ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-১ এ তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে মোঃ বদরুল আলম খানের আবির্ভাব যেন এক কঠোর কাঠামোগত কাঁপন, এক শুদ্ধশাসনের শাণিত শপথ। তার পদচারণায় ফাইলের ফাঁকফোকর বন্ধ, প্রক্রিয়ার পঙ্কিলতা পরিস্কার, আর প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে স্বচ্ছতার সুসংগঠিত শব্দশৃঙ্খলা।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি অনিয়মের অদৃশ্য আবরণ উন্মোচনে অনমনীয় অবস্থান নিয়েছেন। টেন্ডার টেবিলের তলদেশে লুকানো তদবির, প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে প্রথাগত প্রহসন সবকিছুকে একে একে উচ্ছেদ করে তিনি গড়ে তুলেছেন জবাবদিহির জোরালো জাল। তার প্রশাসনিক প্রয়োগে প্রতিটি ফাইল এখন শুধু কাগজ নয়, বরং একটি দায়বদ্ধতার দলিল; প্রতিটি সিদ্ধান্ত কেবল অনুমোদন নয়, বরং সততার স্বাক্ষর।
দীর্ঘদিনের লালিত সিন্ডিকেট সংস্কৃতির লোভনীয় লিপ্সা যখন লণ্ডভণ্ড, তখন অনেকেই তার কঠোরতায় অস্বস্তি খুঁজে পেলেও, নীতিনিষ্ঠদের কাছে এটি এক নির্মল নিঃশ্বাসের মতো স্বস্তির স্রোত। মোঃ বদরুল আলম খানের বলিষ্ঠ ব্যবস্থাপনায় কাজের গতি যেমন গুণগত গতিশীলতায় রূপ নিয়েছে, তেমনি প্রশাসনের প্রতিটি ধাপে ফিরে এসেছে শৃঙ্খলার সুস্পষ্ট স্বরলিপি।
এ প্রসঙ্গে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ বদরুল আলম খান বলেন, “গণপূর্ত কেবল ইট-বালুর ইমারত নির্মাণের প্রতিষ্ঠান নয়, এটি রাষ্ট্রীয় আস্থার অবকাঠামো। এখানে স্বার্থের সংকীর্ণতা নয়, সততার সুস্পষ্টতা-ই হবে একমাত্র সোপান। আমি বিশ্বাস করি, শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও দায়িত্ববোধের সমন্বয়েই প্রতিষ্ঠিত হবে প্রকৃত উন্নয়ন।”
প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান সম্পর্কে তিনি উচ্চারণ করেন এক অনন্য প্রশংসা, “খালেকুজ্জামান স্যার একজন দূরদর্শী দিকনির্দেশক। তাঁর চিন্তার চৌকাঠে দাঁড়িয়ে আমরা শিখছি সৃজনশীল শাসনের শুদ্ধ পাঠ। তিনি দেখিয়েছেন, কিভাবে নৈতিকতা ও নবচিন্তার নান্দনিক মিশেলে একটি প্রতিষ্ঠানকে গতিশীল ও গ্রহণযোগ্য করে তোলা যায়।”
তাঁর মতে, প্রধান প্রকৌশলীর প্রজ্ঞাময় পরিকল্পনা ও প্রেরণাদায়ী নেতৃত্বে গণপূর্ত এখন শুধু নির্মাণের নকশায় নয়, বরং সুশাসনের সুদৃঢ় নীতিমালায় এগিয়ে যাচ্ছে। যেখানে দুর্নীতির দাপট ধূলিসাৎ, আর দক্ষতা ও সততা হয়ে উঠছে একমাত্র শক্তিশালী সমীকরণ।
সংশ্লিষ্ট মহলের ভাষ্য, বদরুল আলম খানের কঠোর কিন্তু কাঠামোবদ্ধ কৌশল যদি ধারাবাহিক থাকে, তবে ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-১ হয়ে উঠবে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলার এক অনুকরণীয় আধার, যেখানে প্রতিটি প্রকল্প হবে প্রমাণ, প্রতিটি প্রক্রিয়া হবে প্রেরণা।




