• ঢাকা, বাংলাদেশ    
  • সোমবার , ৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ,১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  • জাতীয়

    জাতীয় ভ্যাট দিবস: ফাঁকি রোধে একক ভ্যাট রেট নির্ধারণের তাগিদ এনবিআর চেয়ারম্যানের

      এম এইচ মুন্না ৯ ডিসেম্বর ২০২৪ , ৬:৩৭:১০ প্রিন্ট সংস্করণ

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেছেন, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) একক রেট নির্ধারণ করতে পারলে ফাঁকি ও লিকেজ অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। তিনি জানান, কর ছাড়ের সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে এবং ধীরে ধীরে যেসব ক্ষেত্রে কর ছাড় দেওয়া হয়েছে, তা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে জাতীয় ভ্যাট দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এনবিআর চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। এ সময় এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    তিনি বলেন, “কর ছাড় কমানোর কোনো বিকল্প নেই। কর ছাড় দেওয়ার ফলে রাজস্ব বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সিঙ্গেল রেটে ভ্যাট বাস্তবায়ন সহজ ও কার্যকর হবে এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেব।”

    নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলোর ক্ষেত্রে কর অব্যাহতির বিষয়ে তিনি জানান, চাল, চিনি, পেঁয়াজ, আলু, ডিম, ভোজ্য তেল, এবং খেজুরের ওপর কর প্রত্যাহার করা হয়েছে, যা জনস্বার্থে করা হলেও কর আদায়ের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

    ভ্যাট ব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:
    চলতি বছরে ভ্যাট ব্যবস্থা অনলাইনভিত্তিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ভ্যাট পরিশোধ ও রিটার্ন দাখিলকে আরও সহজ করবে। এনবিআর চেয়ারম্যান করদাতাদের অনলাইনে ভ্যাট নিবন্ধনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ঘরে বসেই ভ্যাট পরিশোধ ও রিটার্ন দেওয়া যাবে। অফিসে কোনো কাগজ জমা দিতে হবে না।”

    এ বছর জাতীয় ভ্যাট দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, “ভ্যাট দেব জনে জনে, অংশ নেব উন্নয়নে।” ২০১৩ সাল থেকে ১০ ডিসেম্বর “ভ্যাট দিবস” এবং ১০-১৫ ডিসেম্বর “ভ্যাট সপ্তাহ” উদ্‌যাপন করা হচ্ছে। ভ্যাট ব্যবস্থা অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

    এনবিআর আশা করছে, জনগণের সহযোগিতায় ভ্যাট নেট বাড়ানো গেলে আগামী ছয় মাসে রাজস্ব ঘাটতি পূরণ সম্ভব হবে।