• ঢাকা, বাংলাদেশ    
  • বুধবার , ৮ জুলাই ২০২৬ ,২রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  • প্রকৌশল সংবাদ

    রাজনৈতিক ট্যাগে কি টার্গেট প্রকৌশলী জুবায়ের

      নিজস্ব প্রতিনিধি ৮ জুলাই ২০২৬ , ১১:১৩:৪৯ প্রিন্ট সংস্করণ

    গণপূর্ত অধিদপ্তরের কাঠের কারখানা বিভাগ- ৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী জুবায়ের বিন হায়দার সরকারি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পেশাগত সততা ও কর্মদক্ষতায় দায়িত্ব পালন করলেও হঠাৎই তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন খোদ গণপূর্তের একাধিক প্রকৌশলী ।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছরের রাজনৈতিক শাসনামলে জুবায়ের বিন হায়দার ঢাকার বাইরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করলেও তিনি রাজধানীর সবচেয়ে প্রভাবশালী বা সুবিধাজনক কোনো ডিভিশনে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাননি। বরং কর্মজীবনের বড় একটি সময় তিনি মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন বলে জানা গেছে।

    সংশ্লিষ্টদের দাবি, বর্তমান পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় একটি মহল নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকৌশলীকে রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত করে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় একজন পেশাদার প্রকৌশলীকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিতর্কের কেন্দ্রে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    তারা জানায়, কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম বা অবৈধ সম্পদের অভিযোগ উঠলে তদন্ত হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু তদন্তের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিভিন্ন প্রচারণা বা একতরফা বক্তব্যের মাধ্যমে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করার প্রবণতা ন্যায়বিচারের মূলনীতির পরিপন্থী।

    জুবায়ের বিন হায়দারের ঘনিষ্ঠরা বলছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে নিয়ম-কানুন মেনে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর কোনোটি প্রমাণিত হয়নি। তারা দাবি করেন, রাজনৈতিক ট্যাগ লাগিয়ে একজন প্রকৌশলীর পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

    গণপূর্ত অধিদপ্তরের একাধিক প্রকৌশলী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “অভিযোগ থাকলে তদন্ত হবে, প্রমাণ থাকলে ব্যবস্থা হবে। কিন্তু প্রমাণ ছাড়া কোনো প্রকৌশলীকে সামাজিকভাবে অপরাধী বানানোর সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া দরকার।”

    তারা আরও জানায়, দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান যেমন জরুরি, তেমনি নিরপরাধ ব্যক্তির মর্যাদা রক্ষাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সরকারি চাকরিতে থাকা কোনো প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে তথ্য-প্রমাণ, নথিপত্র ও নিরপেক্ষ তদন্তই হওয়া উচিত একমাত্র ভিত্তি।

    জুবায়ের বিন হায়দার প্রতিবেদককে বলেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক সুবিধাভোগী কর্মকর্তা নন; বরং দীর্ঘ কর্মজীবনে নিয়মতান্ত্রিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। একটি অসাধু মহল ব্যক্তিগত বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট কারণে তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।