• ঢাকা, বাংলাদেশ    
  • বুধবার , ২৫ অক্টোবর ২০২৩ ,৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  • জেলার সংবাদ

    পটুয়াখালীতে ইউপি চেয়ারম্যান কাজি রাইসুল ইসলাম সেলিম সাময়িক বরখাস্ত

      নিজস্ব প্রতিবেদক ২৫ অক্টোবর ২০২৩ , ১০:২২:১৪ প্রিন্ট সংস্করণ

    এলজিইডি সদর দপ্তরসহ ঢাকা জেলার নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সাথে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে পটুয়াখালী জেলার সদর উপজেলার লাউকাঠী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান

    কাজী রাইসুল ইসলাম (সেলিম) কে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি-১ শাখা এর স্মারক নং ৪৬.০০.৭৮০০.০১৭.২৭.০০৩.২১-৮১৯, তারিখ ১০.০৮.২০২৩ মূলে সাময়িক বরখাস্তকরা হয়েছে। সেলিম এলজিইডিতে একজন মূর্তিমান আতঙ্ক। ইতোপূর্বে এলজিইডির এক তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলীকে শারিরীকভাবে লাঞ্চিত করে। তার ভয়ে
    এলজিইডির কর্মকর্তা কর্মচারীরা তটস্থ থাকে। এলজিইডির বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রধান প্রকৌশলীদের অত্যন্ত কাছের মানুষ এই সেলিম। এলজিইডিতে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ, জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী, উপজেলা
    প্রকৌশলী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী বদলী এবং প্রকল্পে আউটসোর্সিং-এ লোক নিয়োগ বাণিজ্য করে ইতোমধ্যে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে
    নিয়েছে। এছাড়া প্রধান প্রকৌশলীদের আস্থাভাজন হওয়ার কারণে গত কয়েক বছরে কোটেশনের মাধ্যমে কাজ না করে কোটি টাকা উত্তোলন করেছে সে। কাজ না করে বিল প্রদানে কেউ অস্বীকৃতি জানালে তাকে নানাভাবে অপমান অপদস্থ ও হয়রানি করে থাকে এই সেলিম। শুধুমাত্র বিগত সাবেক প্রধান প্রকৌশলী সেখ মোহাম্মদ মহসিনের আমলে সুবিধা করতে না পারায় সেখ মোহাম্মদ মহসিনের অবসরের পূর্ব মূহুর্তে পত্রিকায় বয়স সংক্রান্ত মিথ্যা খবর
    ছাপিয়ে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্ট করে। এলজিইডির বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী আসার পর আবার এলজিইডিতে তার পদচারণা বেড়ে গেছে। বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারীকে নানাভাবে হুমতি ধামকি দেয়া শুরু করেছে। বিভিন্ন মহলে বলে বেড়াচ্ছে যে তার কথামতো কাজ না করলে তাকে সমস্যায়
    পড়তে হবে। এলজিইডির বদলী/নিয়োগ বাণিজ্যের কোটি কোটি টাকা আয় করেন। সেই কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেলিম পটুয়াখালী জেলার সদর
    উপজেলার লাউকাঠী ইউনিয়ন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করে। সেলিম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হলেও সে কখনো এলকায় থাকে না। আগারগাঁওয়ের এলজিইডি ভবন তার প্রধান আস্তানা। সকাল থেকে রাত পর্যন্তসে এলজিইডি ভবনে অবস্থান করে। সেলিম এলজিইডিতে ভিআইপি লিফটে ছাড়া সাধারণ লিফটে চড়েন না। এলজিইডির রেস্ট হাউজে ভিআইপি রুমে অবস্থানসহ সব সময় ফ্রি খাওয়া দাওয়া করে সে। শিক্ষা জীবনে স্কুলের গন্ডি পার না হলেও মোটা অংকের টাকা খরচ করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক এক সভাপতির
    মাধ্যমে তার কমিটিতে ঢাকা মহানগরী ঢাকা উত্তরের ছাত্রলীগের সহসভাপতির পদ বাগিয়ে নেয়। সেই পদ ব্যবহার করে সে এলজিইডির মূর্তিমান আতংকে পরিণত হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি-১ শাখা থেকে দশ কার্যদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসক পটুয়াখালী তদন্ত করে মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিষয়ে কমিটি গঠনপূর্বক তদন্ত প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে।