• ঢাকা, বাংলাদেশ    
  • রবিবার , ২৩ জুন ২০২৪ ,৪ঠা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  • বাংলাদেশ

    নীলফামারীতে পুলিশকে ব্যবহার করে জোরপূর্বক অন্যের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে

      নীলফামারী জেলা প্রতিনিধিঃ  ২৩ জুন ২০২৪ , ১১:২৪:০৪ প্রিন্ট সংস্করণ

    নীলফামারীতে পুলিশকে ব্যবহার করে জোরপূর্বক অন্যের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে

     

    নীলফামারী জেলা প্রতিনিধিঃ

     

    নীলফামারী সদর থানা পুলিশের নাম ব্যবহার করে জোরপূর্বক আনারুল হকের পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের অভিযোগ উঠেছে।

     

    ঘটনাটি গত বুধবার (১৯ মার্চ/২৪) সন্ধায় উপজেলার কানিয়ালখাতা মুন্সিপাড়া এলাকায় ঘটে। ভুক্তভোগী আনারুল হক ওই এলাকার মোঃ মোজাম্মেল হকের ছেলে।

     

    এ ঘটনায় মৃতঃ ওছমান গনির ছেলে স্থানীয় প্রভাবশালী খায়রুল ইসলাম (৪৫), মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৪৭), মোঃ জসিমুদ্দিন (৪৮),আবুল কাশেম (৫০)সহ মোঃ আকরাম আলীর ছেলে মোঃ হাছান আলীর (৩৮) বিরুদ্ধে সদর থানায় অভিযোগ করেন তিনি।

     

    অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আনারুল হকের পৈত্রিক সম্পত্তির উপরে টিনসেড ঘর তৈরির জন্য কাঠের ফ্রেম করে রাখা হয় এবং বাঁশের চাটি দিয়ে ঘিরে রাখা আছে।

     

    সেখানে স্থানীয় শহিদ আলী এবং জুয়েল ইসলামের সাথে কথা হলে তারা বলেন, আমরা জানি এই সম্পত্তি আনারুলের বাবার। তিনি ছেলেদের নামে মোট ৩২ শতাংশের মধ্যে ৩০ শতাংশ জমি দলিল করে দেন। কিন্তু খায়রুল ইসলাম জোরপূর্বক উক্ত জমি দখল করে স্থানীয় আকরাম আলীর স্ত্রী আমিনা বেগমকে বাড়ি করে দেয়। এনিয়ে তাদের প্রায় ঝগড়া লেগেই থাকে। চেয়ারম্যানের নির্দেশে সীমানা মাপযোগ করে দিলেও প্রভাবশালীরা পুনরায় গায়ের জোরে সীমানা অতিক্রম করে দখল করে। পুলিশও আসে কিন্তু কোন কাজ হয় না।

     

    ভুক্তভোগী আনারুল হক বলেন, কানিয়লখাতা মৌজার ৫৭ জে,এল, এস.এ-৬৮৩ এবং ৪১৬৬ দাগে মোট ৩০ শতাংশ জমি। এরমধ্যে ৫ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল করে আছে প্রভাবশালীরা। আমরা বহুবার তাদের বলেছি। জমির দলিলও দেখিয়েছি। কিন্তু তারা জমির দখল ছাড়তে চায় না। গত বুধবার ওই জমিতে ঘর তুলতে গেলে আমরা বাঁধা দেই এবং কাগজপত্র দেখানো কথা বলাতেই ধারালো ছুরি হাতে নিয়ে আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন তারা। কথাবার্তার একপর্যায়ে তারা বাঁশের লাঠি দিয়ে আমাকে এলোপাথারী মার-ডাং করে এবং প্রাণে মারার হুমকী দেয় সেইসাথে পুলিশের ভয় দেখায়। পুলিশ উপস্থিত রেখে ওই ঘর নির্মাণ করবে বলেও হুমকী দেন। পরে স্থানীয় লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে স্থানীয় এক ঔষধের দোকানে প্রাথমিক চিকিৎসা করান। তারা বেশ দূর্দান্ত প্রকৃতির এবং প্রভাবশালী। তাই আমার পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধারের পাশাপাশি তদন্তপূর্বক তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানাই।

     

    জানতে চাইলে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ তানভিরুল ইসলাম বলেন, থানায় জমি সংক্রান্ত অভিযোগ অনেক আছে। দেখে বলতে হবে।